দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ পুরোপুরি নিরাপদ ও স্বাভাবিক হতে এখনো কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সামুদ্রিক গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান এএক্সএস মেরিনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার এপ্রিলের পর সবচেয়ে বেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। অন্যদিকে সামুদ্রিক তথ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মেরিন ট্রাফিক জানিয়েছে, শুক্রবার অন্তত ১২টি জাহাজ প্রণালিটি দিয়ে চলাচল করেছে। এর মধ্যে ছিল পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকার ও সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ।
যদিও জাহাজ চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে, তা এখনো যুদ্ধপূর্ব অবস্থার তুলনায় অনেক কম। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন গড়ে ১১০টি জাহাজ এই নৌপথ ব্যবহার করত।
সমঝোতা অনুযায়ী, পানির নিচে পেতে রাখা মাইন নিষ্ক্রিয় করা এবং নৌপথের প্রতিবন্ধকতা অপসারণের দায়িত্ব ইরানের ওপর বর্তেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কাজ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে করতে হয় এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে আগ্রহী সব জাহাজের মালিক ও অধিনায়কদের আগে অনুমতিপত্র এবং বীমা নিশ্চিত করতে হবে। বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
নতুন গঠিত পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজগুলোকে প্রণালির লারাক দ্বীপসংলগ্ন নির্ধারিত পথ কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির দায় জাহাজের মালিক ও অধিনায়কদেরই বহন করতে হবে।
স্বাধীন ট্যাংকার মালিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন জানিয়েছে, কয়েকটি জাহাজকে রাতে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে ইরান সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অনুরোধের ভিত্তিতে ‘মাইন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা’ সম্পর্কিত নৌ-সতর্কতা জারি করা হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য তদারকি সংস্থা বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মাত্রা কমিয়ে ‘মধ্যম’ পর্যায়ে নামিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
/অ